লাইফস্টাইলডেস্ক।। উপকরণ: বাসমতি চাল- ১ কেজি, মুরগি- ছোট ২টি, পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা- ১ কাপ, আদা বাটা- ২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ, আলু- ৬-৭ টুকরা, রং+এলাচ + দারুচিনি+ জয় ফল+ জয়ত্রী- পরিমাণমতো, তেল- ২০০ মিলিগ্রাম, টক দই- ১ কাপ, ঘি- ১ কাপ, মালাই- আধা কাপ, মাওয়া আধা কাপ, মরিচ- আস্ত ৬-৭ টি, তেজপাতা- ৪-৫ টি, জাফরান- সামান্য, কেওড়ার জল- সামান্য।

প্রণালি: প্রথমে আস্ত মসলাগুলো পিষে মিশিয়ে নিন। এর পেঁয়াজ, আদা, রসুন বেটে পেস্ট করে নিন। এরপর মসলার গুড়া টক দইয়ের সাথে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার মাংসগুলো ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পেস্ট করা পেঁয়াজ, আদা, রসুন সাথে দইয়ের মিশ্রণটি মিশিয়ে মাংস ১৫ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। এরপর কড়াইতে তেল দিয়ে মাংসগুলো কষিয়ে নিন। কষানো শেষ হলে নামিয়ে রাখুন।

এরপর অন্য পাত্রে পানি গরম দিন। পানি ফুটে এলে আগে থেকে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন। তেজপাতা ও লবণ দিয়ে দিতে পারেন। চাল অর্ধেক ফুটে এলে নামিয়ে ছাকনি দিয়ে ছেকে চাল ঝরঝরে করে নিন। দুধে ভেজানো জাফরান মিশিয়ে ভাতকে ঝাকিয়ে নিন।এরপর প্রথমে কিছু ভাত তারপর রান্না করা মুরগির মাংস কয়েক টুকরা আলু পেয়াজ বেরেস্তা দিন। তারপর অর্ধেক মাওয়া ও অর্ধেক মালাই দিয়ে আবার কিছু ভাত দিন এরপর একইভাবে মাংসের লেয়ার দিন তারপর সবশেষে ভাতের লেয়ার দিয়ে উপড়ে ঘি ঢেলে ঢেকে দিন। এরপর চুলার উপর তাওয়া বসিয়ে পাত্রটি ৩০ মিনিট দমে রেখে দিন। ৩০ মিনিট পর ঢাকনা সরিয়ে দিন গরম সুগন্ধযুক্ত ধোয়া নাকে এলে নামিয়ে ফেলুন।

 

-কুমিল্লানিউজডেক্স/সম্পাদনা/জেনিফার পলি/ ২০ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।।  মাঝে মধ্যে দাঁতের ব্যথায় কুপোকাত হয়ে যাই আমরা। বিশেষ করে গভীর রাতে দাঁতের ব্যথা যেন এক ভূতের মতোই চেপে বসে শরীরে। ওই পরিস্থিতি সামলে নেয়া বেশ কঠিন হয়ে উঠে। 

হাতের কাছে ওষুধ না পাওয়া, চিকিৎসকের কাছে যেতে না পারা এসব বিষয় পরিস্থিতি আরো জটিল করে তোলে। তবে ওই সময় কিছু ঘরোয়া টিপস অবলম্বন করলে দাঁতের ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।


চলুন জেনে নিই কিভাবে দাঁতের ব্যথাকে কাবু করা যায়। তবে প্রেগন্যান্ট নারীদের এসব টিপসের কয়েকটি অবলম্বন করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

* লবণ পানি দিয়ে কুলি করা :
 দাঁতের ব্যথা শুরু হলে প্রথমেই কুসুম গরম পানিতে ১/২ চামচ লবণ মিশিয়ে কুলি করলে উপকার পাওয়া যায়। এতে দাঁতে আটকে থাকা খাদ্যকণা বের হয়ে যায়। মাড়ির ক্ষত থাকলে তা সেরে যায়।

* হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড :
 ঘরে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড থাকলে তা দিয়ে পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে কুলি করলে দাঁতৈর ব্যথা কমে। দাঁতের প্লাক ও মাড়ির রক্ত ঝরা কমাতেও সাহায্য করে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। এক্ষেত্রে ৩ শতাংশ হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের সঙ্গে একই পরিমাণ পানি মিশিয়ে কুলি করতে হবে। এই দ্রবণ পেটে যাতে না যায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

* বরফ বা ঠান্ডা পানি :
 দাঁত ব্যথা কমাতে বরফ বা ঠান্ডা পানির ছ্যাঁক দিলে উপকার পাওয়া যায়। মাড়ি ফুলে যাওয়াও রোধ হবে এতে।

* ব্যবহৃত টি ব্যাগ :
 চা তৈরির পর ব্যবহৃত হালকা গরম টি ব্যাগ ব্যথা করা দাঁত বা মাড়িতে ধরলে ব্যথা অনেকটাই কমে।

* রসুন :
 হাজার বছর ধরে রসুন শরীরের জন্য একটি উপকারী মসলা হিসেইে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দাঁতের প্লাক রোধ করা, এমনকি দাঁতের ব্যথা রোধ করতে ভূমিকা রাখে রসুন। এক্ষেত্রে এক কোয়া রসুনকে বেটে পেস্ট তৈরি করে তা ব্যথা হওয়া দাঁত বা মাড়িতে লাগালে উপকার পাওয়া যায়। সঙ্গে অল্প একটু লবণও মেশাতে পারেন। এছাড়া এক কোয়া রসুনও খেয়ে উপকার পাবেন।

* লবঙ্গ :
 দাঁতের ব্যথায় লবঙ্গের তেল তুলোয় নিয়ে আলতো করে লাগাতে পারেন ব্যথার জায়গায়। লবঙ্গের তেল ও পানি মিশিয়ে তা দিয়ে কুলি করতে পারেন।

* পেয়ারার পাতা :
 দাঁত ব্যথায় পেয়ার পাতা উপকারি ভূমিকা রাখে। পরিষ্কার পেয়ারার পাতা চিবাতে পারেন অথবা গরম পানিতে পেয়ারার পাতা বেটে মিশিয়ে তা দিয়ে কুলি করতে পারেন।

* বালিশ উঁচু করে শোয়া :
 রাতে দাঁত ব্যথা বেড়ে গেলে বালিশ উঁচু করে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে ব্যথা কমতে পারে।

সেনসিটিভ দাঁতের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। আর দাঁতের ব্যথা পুষিয়ে না রেখে শিগগিরই ডেন্টিস্টের সঙ্গে দেখা করতে হবে আপনাকে।

 

- কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ১৬ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।। পুষ্টিগুণে অনন্য মাশরুম চাষ করতে পারেন ঘরেই। মাশরুম চাষ করা খুবই সহজ। অতিরিক্ত যত্নআত্তি কিছুই লাগবে না এর জন্য। স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার আবহাওয়ায় মাশরুম তড়তড় করে বাড়বে নিজেই। জেনে নিন কীভাবে ওয়েস্টার মাশরুম চাষ করবেন বাড়িতে

চালের খড় কুচি করুন। একটি পাত্রে পানি খড় নিয়ে ১০ মিনিট ফুটান। এতে ভেতরে থাকা জীবাণু দূর হবে। ঠাণ্ডা হলে হাত দিয়ে নিংড়ে খড় আলাদা করুন। ভেজা খড় একটি পাটিতে ছড়িয়ে দিন। সারারাত এভাবে রাখুন যেন অতিরিক্ত পানি দূর হয়
একটি বড় পলিথিন ব্যাগে দুই ইঞ্চি পুরু করে খড় বিছিয়ে নিন। মাশরুমের বীজ ছড়িয়ে দিন খড়ের উপর। এই বীজ কিনতে পাবেন যেকোনো নার্সারিতে। বীজের উপর এক লেয়ারে খড় ছড়িয়ে উপরে আবার বীজ ছিটিয়ে দিন। এভাবে মোট চার লেয়ারে মাশরুমের বীজ ছড়িয়ে দিতে হবে। প্রতি লেয়ারে ইঞ্চি পুরু খড় দেবেন। খড় হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে। এবার ব্যাগের ভেতর থেকে সব বাতাস বের করে নিন। ব্যাগটি ঘুরিয়ে প্যাঁচ দিয়ে শক্ত করে মুখ আটকে ফেলুন। ব্যাগের মুখ শক্ত করে বেঁধে দিন সুতা দিয়ে। কলম বা সুচালো কিছু দিয়ে থেকে ৭টি ছিদ্র করুন ব্যাগে যেন অক্সিজেন পৌঁছতে পারে ভেতরে। ব্যাগটি রেখে দিন অন্ধকার কোনও স্থানে
দিন পর দেখবেন ব্যাগটি সাদাটে হয়ে গেছে। ১০ দিনের মধ্যে বীজ থেকে মাথা তুলবে মাশরুম। কয়েক ইঞ্চি পর পর আরও অনেকগুলো ছিদ্র করে দিন ব্যাগে। ২৫ দিন পর দেখবেন ব্যাগের ছিদ্র দিয়ে ছোট-বড় মাশরুম মাথা বের করে দিয়েছে। প্রতিদিন সামান্য পানি স্প্রে করতে হবে মাশরুমে। তাজা মাশরুম উঠিয়ে রান্না করুন। 

 - কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ১৬ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।। স্বাস্থ্যকর উপায়ে বাসায়ই বানিয়ে নিতে পারেন সুস্বাদু শর্মা। শর্মা তৈরির জন্য খুব বেশি উপকরণ লাগবে এমন নয়। হাতের কাছে থাকা বিভিন্ন উপকরণ দিয়েই মজাদার শর্মা বানিয়ে ফেলা যায় ঝটপট। জেনে নিন রেসিপি

পুর তৈরির উপকরণ


তেল- টেবিল চামচ
আদা বাটা- চা চামচ
রসুন বাটা- চা চামচ
গরুর মাংসের কিমা- কাপ
ধনে গুঁড়া- চা চামচ
কাবাব মসলা- চা চামচ
লবণ- স্বাদ মতো  
মরিচের গুঁড়া- স্বাদ মতো
ভাজা জিরার গুঁড়া- চা চামচ
রুটি তৈরির উপকরণ
ময়দা- কাপ
লবণ- স্বাদ মতো
গুঁড়া চিনি- টেবিল চামচ
বেকিং পাউডার- চা চামচ
সয়াবিন তেল- টেবিল চামচ
টক দই- আধা কাপ
সস তৈরির উপকরণ
মেয়োনিজ- টেবিল চামচ
টমেটো সস- টেবিল চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া- আধা চা চামচ
সরিষার সস- আধা চা চামচ
শর্মা সাজানোর উপকরণ
লেটুস পাতা- প্রয়োজন মতো
টমেটো কুচি
শসা কুচি
গাজর কুচি
প্রস্তুত প্রণালি
পুর তৈরির জন্য প্যানে টেবিল চামচ তেল গরম করে আদা রসুন বাটা নেড়ে নিন। মসলা থেকে কাঁচা গন্ধ চলে গেলে মাংসের কিমা ভাজা জিরার গুঁড়া দিন। মরিচের গুঁড়া, লবণ, কাবাব মসলা ধনে গুঁড়া দিন। কয়েক মিনিট ভেজে সামান্য পানি দিয়ে দিন মিশ্রণে। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। পানি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে কিমা নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন
রুটি তৈরির জন্য ময়দার সঙ্গে লবণ, চিনি, সয়াবিন তেল বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিন ভালো করে। টক দই দিয়ে আবারও মাখুন। অল্প অল্প করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ডো তৈরি করে নিন। ডো খুব বেশি শক্ত বা নরম যেন না হয়। উপরে সামান্য ময়দা মেখে প্লাস্টিক ্যাপ দিয়ে ১৫ মিনিট ঢেকে রাখুন ডো। ১৫ মিনিট পর ভাগে ভাগ করে নিন ডো। সামান্য একটু ময়দা ছিটিয়ে একটি একটি করে বেলে নিন রুটি। মাঝারি আঁচে রুটি সেঁকে নিন। রুটি ফুলে উঠলে তারপর উল্টে দিন। এর আগে উল্টানো যাবে না। রুটির দুই পাশ সেঁকা হয়ে গেলে নামান। 
সস তৈরির সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন। সরিষার সস না থাকলে সরিষা গুঁড়া করে দিতে পারেন
রুটি মাঝখান থেকে কেটে নিন। ভেতরের ফুলে যাওয়া অংশে পকেটের মতো পুর ঢুকিয়ে দিতে হবে। এর আগে তৈরি করা সস মেখে লেটুস পাতা দিয়ে নিন। উপরে শসা কুচি, গাজর কুচি টমেটো কুচি ছিটিয়ে দিন। সবশেষে আরেকটু সস দিয়ে পরিবেশ করুন মজাদার শর্মা। রুটি যদি না ফোলে তাহলে রুটির মাঝে পুর দিয়ে জড়িয়ে শর্মা রোল হিসেবে পরিবেশন করতে পারেন।  

 

- কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ১০ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।। বিয়ে বাড়ির ঝাল ঝাল রেজালার সুগন্ধই অন্যরকম! মজাদার শাহী রেজালা রান্না করতে পারেন গরু কিংবা খাসির মাংস দিয়ে। সাদা পোলাওয়ের পাশাপাশি রুটি কিংবা পরোটা দিয়েও খেতে সুস্বাদু এই রেজালা। জেনে নিন রেসিপি

 উপকরণ


গরুর মাংস- কেজি (বড় টুকরা)
পেঁয়াজ কুচি- কাপ
আদা-রসুন বাটা- দেড় টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ- ৭টি (মাঝখান থেকে চিরে নেওয়া)
ঘি- / কাপ
তেল- / কাপ
আলুবোখারা- ৫টি
ধনে গুঁড়া- টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া- আধা চা চামচ
মরিচ গুঁড়া- আধা চা চামচ
লবণ- স্বাদ মতো
কেওড়া জল- চা চামচ
ক্রিম- টেবিল চামচ
পেঁয়াজ বেরেস্তা- আধা কাপ
টক দই- আধা কাপ
কাজু বাদাম- ১৫টি
দারুচিনি- টুকরা (বড়)
এলাচ- ৫টি
লবঙ্গ- ৩টি
তেজপাতা২টি

প্রস্তুত প্রণালি
মাংস ধুয়ে বড় টুকরা করে কেটে নিন। চুলায় মাঝারি আঁচে একটি প্যান বসিয়ে তেল ঘি দিন। মিশ্রণটি গরম হলে এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ তেজপাতা দিয়ে দিন। মিনিট নেড়েচেড়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজুন। খুব বেশি ভাজার দরকার নেই। / মিনিট পর আদা-রসুন বাটা দিয়ে কয়েক মিনিট নাড়ুন। প্যানে সামান্য পানি দিয়ে হলুদ, মরিচ ধনে গুঁড়া দিয়ে দিন। স্বাদ মতো লবণ দিয়ে কষিয়ে নিন মসলা। এবার মাংস দিয়ে কয়েক মিনিট কষিয়ে প্যান ঢেকে চুলার জ্বাল কমিয়ে দিন। পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ঘণ্টা এভাবেই রাখুন। মাঝে কয়েকবার নেড়ে দিতে হবে যেন প্যানের নিচে লেগে না যায়। পেঁয়াজ বেরেস্তা, টক দই কাজুবাদাম একসঙ্গে ব্লেন্ড করে মিশ্রণটি দিয়ে দিন মাংসে। নেড়ে কাপ পানি দিয়ে দিন। পানি ফুটে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পানি ফুটে উঠলে আলুবোখারা দিয়ে প্যান ঢেকে দিন। চুলার আঁচ একদম কমিয়ে দিতে হবে। আধা ঘণ্টা পর ঢাকনা উঠিয়ে দেখুন মাংস সেদ্ধ হয়েছে কিনা। সেদ্ধ হয়ে গেলে ক্রিম দিয়ে দিন। ক্রিম না থাকলে আধা কাপ দুধ দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে বেরেস্তা বাদাম বাটা দেওয়ার সময়ই দিয়ে দিতে হবে দুধ। কাঁচামরিচ দিয়ে আবারও নেড়ে ঢেকে দিন প্যান। ১০ মিনিট পর কেওড়া জল দিয়ে ঢেকে চুলা বন্ধ করে দিন। বন্ধ চুলার উপর মিনিট রেখে নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার রেজালা। 

- কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ৯ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।। পর্দার তারকারা কী ব্যক্তিজীবনে হেঁশেলে কখনো ঢুঁ মারেন। তাদের পছন্দের খাবারই বা কী? ঈদের দিনে তারা কী খেতে ভালোবাসেন? আসুন জেনে নেই তাদের পছন্দের কিছু খাবারের প্রস্তুত প্রণালি। 

দিলশাদ নাহার কনার কণ্ঠশৈলী লাখ লাখ শ্রোতার মন জয় করে নিয়েছে। কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধার হাতও পাকা তার

উপকরণ
খাসির মাংস কেজি, পোলাওর চাল কেজি, আলু আধা কেজি, ঘি দেড় কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদা বাটা টেবিল চামচ, রসুন বাটা চা চামচ, দারুচিনি গুঁড়া আধা চা চামচ, এলাচ গুঁড়া ৬টি, লবঙ্গ গুঁড়া ৪টি, জয়ফল গুঁড়া ১টি, জয়ত্রী গুঁড়া, জিরা গুঁড়া চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ৬টি, দই / কাপ, হলুদ রং সামান্য, গোলাপ জল টেবিল চামচ, কেওড়া জল টেবিল চামচ, আলুবোখারা -১০টি, আটা কাপ, লবণ চামচ

প্রণালি
মাংস ধুয়ে লবণ মেখে ৩০ মিনিট রাখুন। মাংস আবার ধুয়ে পানি ঝরান। পেঁয়াজ ঘিয়ে বাদামি করে ভেজে তুলুন। ঠান্ডা হলে মোটা গুঁড়া করুন। আলুতে হালকা রং মিশিয়ে বাদামি করে ভেজে তুলুন। যে হাঁড়িতে বিরিয়ানি রান্না করবেন সে হাঁড়িতে মাংস নিন। 

আদা, রসুন, পেঁয়াজ, গুঁড়া মশলা মাংসের সঙ্গে মেশান। দই, গোলাপ জল কেওড়া জল দিয়ে ভালোভাবে মেশান। মাংসের ওপর আলু বিছিয়ে দিন। অল্প ঘি আলুবোখারা দিন। পোলাওর চাল ধুয়ে পানি ঝরান। ১২ কাপ ফুটানো লবণ পানিতে চাল ছাড়ুন। চাল ফুটে ওঠা মাত্রই পরিষ্কার পাত্রে পানি ঝরান। চালের ফুটানো পানি থেকে কাপ পানিতে - কাপ ঘি মিশিয়ে মাংসে মেশান

মাংসের ওপর চাল ছড়িয়ে দিন। উপরে সামান্য রং ছিটিয়ে দিন। কাপ চালের ফুটানো পানি বাকি ঘি মিশিয়ে চালের উপর দিন, প্রয়োজন হলে আরও ফুটানো পানি এমন আন্দাজে দিন যাতে পানি চালের সমান হয়, চালের উপরে না উঠে। হাঁড়িতে ঢাকনা দিয়ে দিন। আটা পানি দিয়ে মাখিয়ে নিন। আটা দিয়ে হাঁড়ির মুখে ঢাকনা এঁটে দিন। কাচ্চি বিরিয়ানি গ্যাসের চুলায় রান্না করতে হলে চুলার উপর হাঁড়ি বসান। হাঁড়ির ঢাকনার উপরে ফুটানো পানিসহ একটি সস প্যান বসান। ২০-২৫ মিনিট পর চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। আরও এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে বিরিয়ানির সুগন্ধ বের হলে নামিয়ে নিন। বিরিয়ানি ওভেনে রান্না করতে হলে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপ দিন। 

গরম ওভেনে হাঁড়ি ঘণ্টা রেখে নামিয়ে নিন। কাঠ কয়লার আগুনে বিরিয়ানি রান্না করতে হলে কাঠে আগুন দেয়ার পর যখন - অংশ আগুনে পুড়ে যাবে বড় কাঠ-কয়লা হবে, সে কয়লার আগুনে হাঁড়ি বসিয়ে দিন। হাঁড়ির উপরে এবং চারপাশেও কাঠ-কয়লার আগুন দিয়ে দিন। হাঁড়ির তলায় প্রথমে ১৫ মিনিট কাঠ পোড়াতে হবে এবং পরে আরও আড়াই ঘণ্টা কাঠ-কয়লার আগুনে দমে রাখতে হবে। কাচ্চি বিরিয়ানি সালাদ এবং বোরহানির সঙ্গে পরিবেশন করুন, জন পরিবেশন করা যাবে

- কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ১ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।। তেলাপোকার দুধ! শরীরে ঘিনঘিনে অনুভূতি হচ্ছে? আসলে প্রাণীটি অপছন্দের তালিকাতে বহু মানুষের। এহেন প্রাণীর দুধ খেতে যখন নিদান দেন গবেষকরা, তখন গা গুলিয়ে ওঠা খুব আশ্চর্যের কী?

কিন্তু ঘটনা হলো, যতই আপনার খারাপ লাগুক, এমনই দাবি গবেষকদের। তারা জানাচ্ছেন, তেলাপোকার দুধে রয়েছে সুস্বাদু মিল্ক ক্রিস্টাল। কেবল সুস্বাদুই নয়, তার গুণাগুণও অনেক বেশি। গরু বা মোষের দুধের চেয়ে তার গুণ অনেক বেশি

কিন্তু কিছু কিছু প্রাণী আছে যাদের দুধে আছে আপনার কল্পনার চাইতে ঢের বেশি পুষ্টিগুণ। আরও অবাক করা কথা এই অধিক পুষ্টির দুধ হয় সাধারণত অমেরুদণ্ডী প্রাণীর

বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি আবিষ্কার করেছেন আরশোলা বা তেলাপোকাও দুধ দেয়। আর তা গরুর দুধের চাইতে প্রায় চার গুণ আর মানুষের দুধের চেয়ে তিন গুণ বেশি পুষ্টি সমৃদ্ধ

সম্প্রতিজার্নাল অফ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ ক্রিস্টালোগ্রাফিতে একটি সংখ্যায় এই বিষয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেছে

ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, আরশোলা শুধুই ডিম পাড়ে না, তাদের একটি বিশেষ প্রজাতি তাদের বাচ্চাদের স্তন্যপানও করায়। আর সেটা ভ্রুণ অবস্থাতেই। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, আরশোলার ওই দুধে মানুষের স্তনদুগ্ধ বা গরু-মহিষ, ছাগল, ভেড়ার দুধের চেয়েও পুষ্টিগুণ অনেকটাই বেশি

তবে ওই বিশেষ প্রজাতির ওই আরশোলা সংখ্যায় এতটাই কম যে, তার দুধ দিয়ে মানুষের বিপুল চাহিদা মেটানো সম্ভব নয় কখনও

তবে প্রচলিত দুধের বিকল্প হয়ে ওঠা সম্ভব না হলেওঅত্যন্ত পুষ্টিকরসেই দুধের ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বানানোটাই এখন অন্যতম লক্ষ্য গবেষকদের

গবেষণাটির প্রধান গবেষক সঞ্চারী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিশেষ প্রজাতির ওই আরশোলা নাম ডিপলোপ্টোরা পাঙ্কটেটা। এদের পাওয়া যায় একমাত্র হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে

প্রজননের পর এই আরশোলাদের একই সঙ্গে থেকে ১২টি ডিম জন্মায়। নারীদের মতো ওই আরশোলাদেরও থাকেব্রুড স্যাক সেখানেই ওই ডিমগুলি জমা থাকে

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ওইব্রুড স্যাক’- ডিমগুলো জমা হওয়ার ২০ দিন পর থেকেই ওই ভ্রুণগুলোর (এমব্রায়ো) মধ্যে দুধের ক্ষরণ হতে শুরু করে। আর ভ্রুণ (ডিম) গুলো তখনই সেই দুধ খেতে শুরু করে। তবে সব দুধটা তারা এক বারে খেয়ে সাবাড় করে দেয় না। বেশ কিছুটা করে জমিয়ে রাখে

সঞ্চারী জানান, গবেষণায় তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, ওই দুধ একেবারেই একটি সম্পূর্ণ খাদ্য বাকমপ্লিট ফুডবাব্যালান্সড ডায়েটবা সুষম খাদ্যও

কারণ, তার মধ্যে পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, সুগার আর ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে একই সঙ্গে। আর তা রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণেই আর এই বাড়িত পুষ্টি মানুষের শরীরে কীভাবে কাজে লাগে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা

সঞ্চারীর কথায়, ‘আমরা শুধু আরশোলার দুধ আবিষ্কার করেই থেমে নেই। তাদের শরীরের ভেতর দুধের ক্ষরণের জন্য দায়ী যে জিন, আমরা সেটিকেও চিহ্নিত করেছি। ওই জিনটিই আরশোলারব্রুড স্যাক- প্রোটিন সংশ্লেষে মূল ভূমিকা নেয়।

আমরা সেই জিনটিকেই বার গবেষণাগারে কৃত্রিম ভাবে বানিয়ে সেটাকে ইস্টের মধ্যে ঢুকিয়ে দেখতে চাইছি, সেখানেও ওই জিনটি একই ধরনের প্রোটিন বানাতে পারে কি না।

দি পারে তা হলে, আগামী দিনে অনেক অনেক বেশি পুষ্টিকরপ্রোটিন শেক্স’, উন্নততর ক্যাপস্যুল, ট্যাবলেট আমরা বানাতে পারব।

তবে সঞ্চারীর সহযোগী গবেষক, ব্যাঙ্গালুরুরইনস্টিটিউট অফ স্টেম সেল বায়োলজি অ্যান্ড রিজেনারেটিভ মেডিসিনএর জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক সুব্রহ্মণ্যম রামস্বামী বলছেন, এই নতুন প্রোটিনের আবিষ্কার আর তার থেকে পুষ্টিকর খাদ্য তৈরি করার মধ্যে একটা লম্বা পথ এখনও হাঁটা বাকি রয়েছে

এখন ইস্টে এটা কতটা কার্যকরী হয়, তা দেখতে হবে। দেখতে হবে, আরশোলার শরীরের ভেতর আর ইস্টে তা সমান ভাবে কার্যকর হয় কি না। দেখতে হবে ইস্টে আরও অনেক বেশি পরিমাণে সেই প্রোটিন বানানো যায় কি না।

- কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ১ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।।

পিজ্জা, কেক, চিকেন- ধরনের খাবারের জন্য আমরা যাই রেস্তোরাঁয়। চাইলে ঘরেই করে নিতে পারেন মজাদার কোনো পদ। এখানে তিনটি খাবারের রেসিপি দিয়েছেন সিম্পলি কুকিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা রান্নাবিষয়ক রিয়ালিটি শোরূপচাঁদা-ডেইলি স্টার সুপার শেফ ২০১৮’-এর দ্বিতীয় রানারআপ নাদিয়া নাতাশা। আজ জেনে নিন চিকেন পটেটো স্টিকের রেসিপি

উপকরণ


হাড় ছাড়া: চিকেন কাপ
আলু: -৩টি
গোলমরিচ: আধা চা চামচ 
আদা বাটা: চা চামচ
জিরা: আধা চা চামচ
সয়াসস: চা চামচ
লবণ: পরিমাণমতো
গরম মশলা গুঁড়া: সামান্য
মরিচ গুঁড়া: চা চামচ
ডিম: ১টি
ময়দা: কাপ 
সাসলিক কাঠি: ১০টি 
তেল: কাপ

প্রণালি


কিচেন কিউব করে কেটে নিন। সব মশলা মেখে মেরিনেড করে রাখুন ঘণ্টার জন্য। আলু পাতলা করে কেটে নিতে হবে। এবার সাসলিক কাঠিতে পিস আলু পিস চিকেন দিন। এভাবে গেঁথে নিন। ডিম ফেটে নিয়ে তার মধ্য চিকেন আলু গাঁথা সাসলিক ডিমে মাখিয়ে শুকনা ময়দায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। এবার ডুবো তেলে ভালো করে ভেজে নিয়ে গরম গরম পরিবেশ করুন

- কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ১ জুলাই ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।। টিকিয়া খেতে কে না ভালোবাসে। তবে টিকিয়া মানেই যে তা মাছ কিংবা মাংসের হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। টিকিয়া হতে পারে আলু দিয়েও। বিকেলের নাস্তায় একটি মুখরোচক খাবার হতে পারে এই আলুর টিকিয়া। রইলো রেসিপি- উপকরণ: বড় আলু- ৪টি,মটর- / কাপ, ব্রেডক্রাম্ব- টেবিল চামচ, কর্ন ফ্লাওয়ার- টেবিল চামচ, আদা কুঁচি- চা চামচ, ধনেপাতা কুঁচি- টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ- টি, কুঁচি, লাল মরিচের গুঁড়ো- / চা চামচ, গরম মশলার গুঁড়ো- / চা চামচ, লেবুর রস- চা চামচ, চিনি- / চা চামচ, লবণ, তে প্রণালি: একটি বোলে সেদ্ধ আলু সেদ্ধ মটর ভালোভাবে চটকে তাতে টেবিল চামচ ব্রেডক্রাম্ব, কর্ন ফ্লাওয়ার, আদা কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি, কাঁচামরিচ কুঁচি, লাল মরিচের গুঁড়া, গরম মশলার গুঁড়া, লেবুর রস, চিনি লবণ মেশান (চাইলে গাজর কুঁচি, সুইট কর্ন বা মটরশুঁটিও মেশাতে পারেন) সব ভালোভাবে মেখে একটি বড় ডো তৈরি করুন এবং তা থেকে সমান আকারের ১০-১২ টি ছোট বল বানিয়ে হাতের তালুর সাহায্যে আসতে আসতে চেপে পেটি তৈরি করুন টিকিয়ার জন্য এবার বাকি চামচ ব্রেডক্রাম্ব একটি প্লেট- নিন। পেটিগুলোকে ভালো করে ব্রেডক্রাম্বে উভয় পিঠে মাখুন। একটি প্যান চুলায় গরম করে তাতে - চা চামচ তেল নিয়ে গরম করে তাতে পেটিগুলো গোল্ডেন ব্রাউন করে (উভয় পিঠ) খুব ভালো করে অল্প আঁচে ভাজুন, যেন না পোড়ে। তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু আলুর টিকিয়া। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন

 

 - কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ৩০ জুন ১৮ইং

 

লাইফস্টাইলডেস্ক।। ঝাল কাঁচামরিচ খেতে অনেকেই ভয় পান। আবার অনেকে চিবিয়ে খেতে পছন্দ করেন আস্ত কাঁচামরিচ। চিকিৎসকরা বলছেন, কাঁচামরিচ খেলে দূরে থাকা যায় অনেক রোগ থেকে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে না খাওয়াই ভালো। প্রতিদিন দুএকটি কাঁচামরিচ খাওয়া যেতে পারে। জেনে নিন কাঁচামরিচের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে

·                                 কাঁচামরিচ রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমায়। ফলে হার্ট ভাল থাকে

·                                 মেটাবলিজমের হার বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে কাঁচামরিচ

·                                 প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায় কাঁচামরিচ থেকে। এগুলো কার্ডিওভাস্কিউলার সিস্টেমকে ঠিক রাখে

·                                 কাঁচামরিচে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

·                                 রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে কাঁচামরিচ

·                                 ভিটামিন পাওয়া যায় কাঁচামরিচ থেকে যা হাড়, দাঁত মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখে। এছাড়াও এতে থাকা ভিটামিন সি মাড়ি চুলে পুষ্টি যোগায়

·                                 নার্ভের জন্যও উপকারী কাঁচামরিচ

·                                 নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না

- কুমিল্লানিউজডেক্স / সম্পাদনা/ জেনিফার পলি/ ৩০ জুন ১৮ইং

 

Page 1 of 15

দারোগা বাড়ি, উত্তর চর্থা
কুমিল্লা-৩৫০০, বাংলাদেশ
ই-মেইল: bdcomillanews24@gmail.com
নিউজ রুম: +8801976530514

প্রধান সম্পাদকঃ হুমায়ূন কবির রনি
নিউজরুম এডিটরঃ তানভীর খন্দকার দীপু
ই-মেইলঃ editor@comillanews24.com